ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে আলোচনা ঝড় পদত্যাগের দাবি

  • আপলোড সময় : ২২-১০-২০২৪ ১২:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১০-২০২৪ ১২:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন
রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে আলোচনা ঝড় পদত্যাগের দাবি

* শেখ হাসিনার পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন রাষ্ট্রপতি
* রাষ্ট্রপতির কাছে কীভাবে পদত্যাগ করেন হাসিনা, নতুন তথ্য দিলেন আসিফ
* শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে যা বললেন সমন্বয়করা
* দ্রুতই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা  সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান


শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে দুই মাসের ব্যবধানে দ্বিমুখী বক্তব্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তার এমন দ্বিচারিতামূলক আচরণে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজালের। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও। এ বিষয়ে সোমবার নতুন তথ্য সামনে এনেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করেছিল স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা। মৌখিকভাবে এ পদত্যাগ করা হয়। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তবে এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্রুতই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করার হবে বলে জানিয়েছেন সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে চলছে আলোচনা-সমালোচনা ঝড়। এককথায় বলতে গেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে দেশজুড়ে আবারও সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।
আসিফ নজরুল বললেন রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন: সচিবালয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ইস্যুতে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিথ্যাচার করেছেন। তার এই পদে থাকার যোগ্যতা আছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উনি যদি তার বক্তব্যে অটল থাকেন তাহলে বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদে যাবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি যে বলেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র পাননি, এটা হচ্ছে মিথ্যাচার। উনার শপথ লঙ্ঘনের শামিল। কারণ উনি নিজেই গত ৫ আগস্ট রাত ১১টা ২০ মিনিটে পেছনে তিন বাহিনীর প্রধানকে নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী উনার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তা গ্রহণ করেছেন। এরপর উনার কাছ থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জানতে চাওয়া হয়, এই পরিস্থিতিতে করণীয় কি আছে। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উপদেশমূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে জানতে চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সুপ্রিম কোর্টের যে প্রধান বিচারপতি এবং অন্য বিচারকরা মিলে একটা মতামত প্রদান করেন। সেই মতামতের প্রথম লাইনটা হচ্ছে দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সেখানে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ আপিল বিভাগের সব বিচারকের স্বাক্ষর আছে। আইন উপদেষ্টা বলেন, এই যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা যায়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামতের ভিত্তিতে একটি নোট মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। রাষ্ট্রপতি এই অভিমতটা দেখেছেন এবং গ্রহণ করেছেন। এরপর তিনি নিজে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছেন। একইসুরে কথা বলেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে অসত্য কথা বলায় রাষ্ট্রপতির নিজ থেকে পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন করেন তিনি। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ইস্যুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ কথা বলেন। জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যিনি পদত্যাগপত্র নিয়ে এসেছেন সেই সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান এখনও বলেননি তার কাছে কোনো পদত্যাগপত্র দিয়ে যান নাই। শেখ হাসিনা যে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এতে এ দেশের জনগণের বিন্দু পরিমাণও সন্দেহ নেই। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে রাষ্ট্রপতি গত ৫ আগস্ট যে বক্তৃতা করেছেন, তাতে তিনি যা বলেছেন, এখন যদি অন্য কথা বলেন তাহলে তার নিজ থেকে পদত্যাগ করা উচিত।
শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে যা বললেন সমন্বয়করা: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মতো মানুষ যদি বলেন শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্রের ডকুমেন্টস তিনি রাখেননি, তাহলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া দরকার, তা ছাত্র-সমাজই নির্ধারণ করবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সিস্টেম এখনও সরেনি। বিভিন্ন এজেন্সি ও কুচক্রী মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে। প্রয়োজনে আমরা আবার রাজপথে নামব। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শক্তির উত্থান ও পুনর্বাসন ঠেকাতে দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন রাষ্ট্রপতি বলেছেন শেখ হাসিনা তার কাছে কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসন আবারও বিভিন্ন পাঁয়তারা শুরু করেছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা স্বৈরাচারের পতিত আত্মারা বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের আগে আমাদের একটাই পরিচয় ছিল আওয়ামী লীগ ছিল জালিম আর আমরা ছিলাম মজলুম। কিন্তু ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা পৃথক হয়েছি যার কারণে একটি গ্যাপ তৈরি হয়েছে। এই গ্যাপটির সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করেছে। আমাদের আবার একত্রিত হতে হবে। আমরা দলীয় স্বার্থে যদি আলাদা হয়ে যাই তাহলে আওয়ামী লীগ আবারও সুযোগ নিবে। আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ঠেকাতে আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক মাহিন সরকার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, রাষ্ট্রপতি যে দ্বিমুখী বক্তব্য দিয়েছেন তাতে স্পষ্ট যে তিনি শেখ হাসিনাকে বৈধতা দিতে চান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাষ্ট্রপতির এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান।
দ্রুতই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা: দ্রুতই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে রাজপথের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ। তিনি বলন, শেখ হাসিনার পদত্যাগ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন, দ্রুত তাকে পদত্যাগ করতে হবে। দ্রুতই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে রাজপথের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোনোভাবেই আর রাষ্ট্রপতিকে পদে দেখতে চাই না।
শেখ হাসিনার পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন রাষ্ট্রপতি: রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, তবে এ বিষয়ে তার কাছে কোনো প্রমাণ বা নথি নেই। সম্প্রতি মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি এই তথ্য তুলে ধরেন। সাক্ষাৎকারটি গত ১৯ অক্টোবর পত্রিকার রাজনৈতিক ম্যাগাজিন ‘জনতার চোখ’-এ প্রকাশিত হয়। মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, যদি প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে তার কপি কারো না কারো কাছে থাকার কথা। কিন্তু তিন সপ্তাহ ধরে অনুসন্ধান করেও কোথাও তা পাওয়া যায়নি, এমনকি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগেও। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-আন্দোলন ও গণবিক্ষোভের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন। সংবিধানের ৫৭(ক) ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি বহুবার পদত্যাগপত্র সংগ্রহের চেষ্টা করেছি, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। হয়ত তার সময় হয়নি। কোথাও কোনো খবর নেই। এক পর্যায়ে শুনলাম, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। আমাকে কিছুই বলে গেলেন না। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ফোন আসে যে শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে আসবেন, কিন্তু পরে জানানো হয় যে তিনি আসছেন না। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারও বললেন, তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে কিছুই জানানো হয়নি। তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব যখন পদত্যাগপত্রের কপি নিতে এলেন, তখন বললাম, আমিও খুঁজছি। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী চলে গেছেন এবং এটা সত্যি। তিনি বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টের মতামত চেয়েছেন। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ ৮ আগস্ট এই বিষয়ে মতামত দেয়, যেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়। রাষ্ট্রপতি নিশ্চিত করেছেন যে তিনি কোনো গুজবের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে চান না এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, সাড়ে ১৫ বছর বিভিন্ন সমালোচনার মুখে দেশ পরিচালনার পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গেল ৫ আগস্ট দুপুরে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি সে দেশেই অবস্থান করছেন। রাজনৈতিক মহলে তাকে ঘিরে চলছে আলোচনা। তার পদত্যাগ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাজ করছে। এর কারণ শেখ হাসিনা নিজেই। তিনি কিছুদিন আগে গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জানিয়েছেন যে, তিনি পদত্যাগ করেননি। যেকোনো সময় চট করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়বেন। এরপর মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে, সাবেক একনায়ক হাসিনা সত্যিই কি পদত্যাগ করেছেন।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স